ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৮৮ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক Logo শহীদ তাজউদ্দীন হাসপাতালে ডাক্তার-আনসারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo গাজীপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত, সদর মেট্রো থানা কমিউনিটি পুলিশ দল চ্যাম্পিয়ন Logo খামারিদের টিকিয়ে রাখতে সহজ ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo ভাওয়াল মির্জাপুর কলেজে তিনতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর করেন অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এমপি Logo গাজীপুরে দৈনিক বাংলার নবকণ্ঠের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo গাজীপুর সিটিজুড়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, নাগরিকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রশাসক Logo গাজীপুরে সুটকেসে দ্বিখণ্ডিত নারীর লাশ- ৫ বছরের প্রেমের পরিণতি, প্রেমিকের হাতে খুন Logo সালনা-দেশীপাড়া-জয়দেবপুর সড়ক যেন মরণফাঁদ, দীর্ঘদিন সংস্কার নেই, বড় বড় গর্তে চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী Logo গাজীপুরে আইনশৃঙ্খলা সভা: অপরাধ দমনে দৃশ্যমান পদক্ষেপ চান প্রতিমন্ত্রী

গাজীপুর জেলা পরিষদের অর্থ প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই নিরাপদ ও লাভজনক খাতে স্থানান্তরের উদ্যোগ, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অর্থ পুনর্বিনিয়োগের প্রস্তুতিঃ সিইও নজরুল ইসলাম

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • ১০২ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর ভাঙিয়ে অর্থ স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি অর্থকে অধিক নিরাপদ ও লাভজনক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্থানান্তর করা।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যাংকে সংরক্ষিত এফডিআরগুলোর একটি অংশে সুদের হার তুলনামূলক কমে যায় এবং কিছু ব্যাংকের আর্থিক অবস্থান আগের মতো স্থিতিশীল ছিল না। এ পরিস্থিতিতে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে অধিক মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যেই অর্থ পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের অর্থ কোনো ব্যক্তিগত হিসাবে নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ব্যাংকিং ডকুমেন্টের মাধ্যমেই সংরক্ষিত রয়েছে। অর্থের এক টাকাও ব্যক্তি পর্যায়ে ব্যবহারের সুযোগ নেই এবং পুরো অর্থ সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে।

সিইও মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার উদ্দেশ্য ছিল প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী করা। যেসব ব্যাংকে সুদের হার কম ছিল বা ঝুঁকির শঙ্কা ছিল, সেখান থেকে অর্থ আরও আধুনিক ও নিরাপদ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত লাভ বা স্বার্থের কোনো প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি অর্থের নিরাপত্তা ও লাভজনক বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘমেয়াদে সরকারি তহবিল ব্যবস্থাপনায় সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি। আর্থিক খাতের পরিবর্তিত বাস্তবতায় অধিক মুনাফা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

প্রশাসনিক মহলের একাধিক সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা দূর হবে। বরং সরকারি সম্পদের সুরক্ষা ও আয় বৃদ্ধির চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৮৮ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক

error: Content is protected !!

গাজীপুর জেলা পরিষদের অর্থ প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই নিরাপদ ও লাভজনক খাতে স্থানান্তরের উদ্যোগ, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অর্থ পুনর্বিনিয়োগের প্রস্তুতিঃ সিইও নজরুল ইসলাম

আপডেট সময় ০১:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রায় ৬২ কোটি টাকার এফডিআর ভাঙিয়ে অর্থ স্থানান্তরকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা তৈরি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পুরো উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারি অর্থকে অধিক নিরাপদ ও লাভজনক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্থানান্তর করা।

জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ব্যাংকে সংরক্ষিত এফডিআরগুলোর একটি অংশে সুদের হার তুলনামূলক কমে যায় এবং কিছু ব্যাংকের আর্থিক অবস্থান আগের মতো স্থিতিশীল ছিল না। এ পরিস্থিতিতে সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে অধিক মুনাফা অর্জনের লক্ষ্যেই অর্থ পুনর্বিন্যাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলা পরিষদের অর্থ কোনো ব্যক্তিগত হিসাবে নয়, বরং প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ব্যাংকিং ডকুমেন্টের মাধ্যমেই সংরক্ষিত রয়েছে। অর্থের এক টাকাও ব্যক্তি পর্যায়ে ব্যবহারের সুযোগ নেই এবং পুরো অর্থ সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই রয়েছে।

সিইও মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “আমার উদ্দেশ্য ছিল প্রতিষ্ঠানকে আর্থিকভাবে আরও শক্তিশালী করা। যেসব ব্যাংকে সুদের হার কম ছিল বা ঝুঁকির শঙ্কা ছিল, সেখান থেকে অর্থ আরও আধুনিক ও নিরাপদ ব্যাংকিং ব্যবস্থায় স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এখানে ব্যক্তিগত লাভ বা স্বার্থের কোনো প্রশ্নই আসে না।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি অর্থের নিরাপত্তা ও লাভজনক বিনিয়োগ নিশ্চিত করাই আমার দায়িত্ব। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।”

জেলা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, দীর্ঘমেয়াদে সরকারি তহবিল ব্যবস্থাপনায় সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা জরুরি। আর্থিক খাতের পরিবর্তিত বাস্তবতায় অধিক মুনাফা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এমন পদক্ষেপ ইতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।

প্রশাসনিক মহলের একাধিক সূত্র বলছে, বিষয়টি নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তা দূর হবে। বরং সরকারি সম্পদের সুরক্ষা ও আয় বৃদ্ধির চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তারা মনে করছেন।