
গাজীপুর মহানগরীর শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে নানা অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। এ সময় তিন প্রতিষ্ঠানকে মোট ২ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি একজন অনভিজ্ঞ ল্যাব টেকনিশিয়ানকে এক মাস এবং একজন ভুয়া চিকিৎসককে পাঁচ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করে দেওয়া হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুর নাহিন নিশাদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে প্রথমে গাজীপুর অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে কোয়ালিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে শাকিল নামে এক ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ছাড়াই ল্যাব টেকনিশিয়ান হিসেবে কাজ করার দায়ে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকেও ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এরপর মডেল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে আসাদ নামে এক ব্যক্তিকে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে শনাক্ত করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাকে পাঁচ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন অনিয়মের কারণে সেটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুর নাহিন নিশাদ বলেন, রোগীদের নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে অবৈধ কার্যক্রম ও অনিয়মের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে। স্বাস্থ্যসেবার নামে কোনো ধরনের প্রতারণা বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলেও তিনি সতর্ক করেন।
নিজস্ব সংবাদ : 


















