ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শ্রদ্ধা, সংবর্ধনা ও নানা আয়োজনে গাজীপুরে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস Logo “পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে পিতাকে দিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে বেকসুর খালাস ডাঃ এফ রহমান” Logo পরিচ্ছন্ন গাজীপুর গড়তে বর্জ্য অপসারনে রাজেন্দ্রপুরে এসটিএস উদ্বোধন করলেন প্রশাসক শওকত হোসেন Logo গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ Logo উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে প্রশাসক শওকত হোসেন, জয়দেবপুরে যানজট নিরসনে ৩১৭ কোটি টাকার ওভারপাস নির্মাণ Logo জাতীয় প্রেস ক্লাবের সহযোগী সদস্য পদ পেলেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া Logo সাহসিক অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার: পুরস্কৃত জিএমপির সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ও তার টিম Logo গাজীপুরে বাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo পোষা প্রাণীর চিকিৎসায় গাজীপুরে নতুন দিগন্ত, উদ্বোধন হলো ‘অ্যাপোলো পেট ক্লিনিক’ Logo গাজীপুরে রোটারী ক্লাব অব ভাওয়াল হেরিটেজের ৪র্থ অভিষেক ও রিপসা টিমের ক্লাব ভিজিট সম্পন্ন

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি আমিনুল ইসলামের দৃঢ় নেতৃত্বে অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫৫ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসও হয়নি। অথচ এই অল্প সময়েই পুরো এলাকার অপরাধচিত্রে পরিবর্তন এনেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম। সততা, পেশাদারিত্ব ও নির্ভীক নেতৃত্বের কারণে গাজীপুর সদর এখন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের জন্য আতঙ্কের নাম।

থানাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ওসি আমিনুল ইসলাম ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাঠে নামেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ২৫০ জন আওয়ামীপন্থী সন্ত্রাসী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৪৮ কেজি গাঁজা ও ১,০০৪ পিস ইয়াবা, যা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেটের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।

অপরাধ দমনে তার কঠোর অবস্থানের সবচেয়ে সাহসী উদাহরণ দেখা যায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল চলাকালে। প্রকাশ্যে মিছিলরত অবস্থায় সেখান থেকেই ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়—যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

ওসি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে থানার পুলিশ ১০০টিরও বেশি মাদক স্পটে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে শুধু মাদক উদ্ধার নয়, গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের। অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতারের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পূর্ববর্তী কয়েক মাসের রেকর্ড।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, থানায় কোনো অভিযোগ নিয়ে গেলে আগের মতো হয়রানি বা অবহেলার শিকার হতে হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা সরাসরি সেবা পাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান মিলছে। এলাকাবাসীর মতে, ওসি আমিনুল ইসলাম শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা নন—তিনি একজন দায়িত্বশীল জনসেবক।

তবে অপরাধ দমনের এই সাফল্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের জন্য। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ ওসি আমিনুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, এটি মূলত অপরাধীদের শেষ চেষ্টা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও স্থানীয়দের অভিমত, দেশের প্রতিটি থানায় যদি আমিনুল ইসলামের মতো সৎ, সাহসী ও দক্ষ অফিসার ইনচার্জ থাকেন, তবে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, মাদক ও ডাকাতমুক্ত করা কোনো অসম্ভব লক্ষ্য নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রদ্ধা, সংবর্ধনা ও নানা আয়োজনে গাজীপুরে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

error: Content is protected !!

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি আমিনুল ইসলামের দৃঢ় নেতৃত্বে অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

আপডেট সময় ১২:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসও হয়নি। অথচ এই অল্প সময়েই পুরো এলাকার অপরাধচিত্রে পরিবর্তন এনেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম। সততা, পেশাদারিত্ব ও নির্ভীক নেতৃত্বের কারণে গাজীপুর সদর এখন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের জন্য আতঙ্কের নাম।

থানাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ওসি আমিনুল ইসলাম ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাঠে নামেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ২৫০ জন আওয়ামীপন্থী সন্ত্রাসী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৪৮ কেজি গাঁজা ও ১,০০৪ পিস ইয়াবা, যা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেটের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।

অপরাধ দমনে তার কঠোর অবস্থানের সবচেয়ে সাহসী উদাহরণ দেখা যায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল চলাকালে। প্রকাশ্যে মিছিলরত অবস্থায় সেখান থেকেই ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়—যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

ওসি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে থানার পুলিশ ১০০টিরও বেশি মাদক স্পটে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে শুধু মাদক উদ্ধার নয়, গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের। অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতারের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পূর্ববর্তী কয়েক মাসের রেকর্ড।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, থানায় কোনো অভিযোগ নিয়ে গেলে আগের মতো হয়রানি বা অবহেলার শিকার হতে হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা সরাসরি সেবা পাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান মিলছে। এলাকাবাসীর মতে, ওসি আমিনুল ইসলাম শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা নন—তিনি একজন দায়িত্বশীল জনসেবক।

তবে অপরাধ দমনের এই সাফল্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের জন্য। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ ওসি আমিনুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, এটি মূলত অপরাধীদের শেষ চেষ্টা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও স্থানীয়দের অভিমত, দেশের প্রতিটি থানায় যদি আমিনুল ইসলামের মতো সৎ, সাহসী ও দক্ষ অফিসার ইনচার্জ থাকেন, তবে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, মাদক ও ডাকাতমুক্ত করা কোনো অসম্ভব লক্ষ্য নয়।