ঢাকা ০২:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী Logo গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল সন্দেহে আটক, ১৫ দিনের কারাদণ্ড Logo গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে শ্রমিক সংগঠনের সাথে মতবিনিময়, কাজে ফেরার আহ্বান এমপি রনির Logo গাজীপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ উদ্বোধন, প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরিতে নতুন উদ্যোগ Logo গাজীপুরে নিহত শ্রমিক তৌফিকের গায়েবানা জানাজায় এনসিপি নেতা আলী নাসের, পুলিশের ধাওয়ায় পণ্ড Logo শ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে শিল্প ধ্বংসের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না: জয়নাল আবেদীন রিজভী Logo কাশিমপুর ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া মেলে না খারিজ, ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা, মূলহোতা উপ-সহকারী নায়েব হাজেরা Logo গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার Logo মুন্সিপাড়ার নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রতিশ্রুতি দিলেন গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেন Logo মির্জাপুরে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি আমিনুল ইসলামের দৃঢ় নেতৃত্বে অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ১২:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৯০ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসও হয়নি। অথচ এই অল্প সময়েই পুরো এলাকার অপরাধচিত্রে পরিবর্তন এনেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম। সততা, পেশাদারিত্ব ও নির্ভীক নেতৃত্বের কারণে গাজীপুর সদর এখন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের জন্য আতঙ্কের নাম।

থানাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ওসি আমিনুল ইসলাম ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাঠে নামেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ২৫০ জন আওয়ামীপন্থী সন্ত্রাসী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৪৮ কেজি গাঁজা ও ১,০০৪ পিস ইয়াবা, যা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেটের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।

অপরাধ দমনে তার কঠোর অবস্থানের সবচেয়ে সাহসী উদাহরণ দেখা যায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল চলাকালে। প্রকাশ্যে মিছিলরত অবস্থায় সেখান থেকেই ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়—যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

ওসি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে থানার পুলিশ ১০০টিরও বেশি মাদক স্পটে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে শুধু মাদক উদ্ধার নয়, গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের। অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতারের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পূর্ববর্তী কয়েক মাসের রেকর্ড।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, থানায় কোনো অভিযোগ নিয়ে গেলে আগের মতো হয়রানি বা অবহেলার শিকার হতে হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা সরাসরি সেবা পাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান মিলছে। এলাকাবাসীর মতে, ওসি আমিনুল ইসলাম শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা নন—তিনি একজন দায়িত্বশীল জনসেবক।

তবে অপরাধ দমনের এই সাফল্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের জন্য। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ ওসি আমিনুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, এটি মূলত অপরাধীদের শেষ চেষ্টা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও স্থানীয়দের অভিমত, দেশের প্রতিটি থানায় যদি আমিনুল ইসলামের মতো সৎ, সাহসী ও দক্ষ অফিসার ইনচার্জ থাকেন, তবে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, মাদক ও ডাকাতমুক্ত করা কোনো অসম্ভব লক্ষ্য নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ৭ নভেম্বরের চেতনা ধারণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

error: Content is protected !!

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি আমিনুল ইসলামের দৃঢ় নেতৃত্বে অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি

আপডেট সময় ১২:৪৪:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাসও হয়নি। অথচ এই অল্প সময়েই পুরো এলাকার অপরাধচিত্রে পরিবর্তন এনেছেন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম। সততা, পেশাদারিত্ব ও নির্ভীক নেতৃত্বের কারণে গাজীপুর সদর এখন সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী ও চাঁদাবাজদের জন্য আতঙ্কের নাম।

থানাসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই ওসি আমিনুল ইসলাম ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে মাঠে নামেন। এরই ধারাবাহিকতায় মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ২৫০ জন আওয়ামীপন্থী সন্ত্রাসী ও অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৪৮ কেজি গাঁজা ও ১,০০৪ পিস ইয়াবা, যা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় মাদক সিন্ডিকেটের মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছে।

অপরাধ দমনে তার কঠোর অবস্থানের সবচেয়ে সাহসী উদাহরণ দেখা যায় ছাত্রলীগের একটি মিছিল চলাকালে। প্রকাশ্যে মিছিলরত অবস্থায় সেখান থেকেই ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়—যা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইতিহাসে বিরল বলেই মনে করছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা।

ওসি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে থানার পুলিশ ১০০টিরও বেশি মাদক স্পটে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব অভিযানে শুধু মাদক উদ্ধার নয়, গ্রেফতার করা হয়েছে চিহ্নিত মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের সদস্যদের। অল্প সময়ের মধ্যেই গ্রেফতারের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পূর্ববর্তী কয়েক মাসের রেকর্ড।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, থানায় কোনো অভিযোগ নিয়ে গেলে আগের মতো হয়রানি বা অবহেলার শিকার হতে হচ্ছে না। ভুক্তভোগীরা সরাসরি সেবা পাচ্ছেন, অনেক ক্ষেত্রেই দ্রুত সমাধান মিলছে। এলাকাবাসীর মতে, ওসি আমিনুল ইসলাম শুধু একজন পুলিশ কর্মকর্তা নন—তিনি একজন দায়িত্বশীল জনসেবক।

তবে অপরাধ দমনের এই সাফল্যই কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের জন্য। মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও আওয়ামী দোসরদের একটি অংশ ওসি আমিনুল ইসলামকে সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সচেতন মহল বলছে, এটি মূলত অপরাধীদের শেষ চেষ্টা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও স্থানীয়দের অভিমত, দেশের প্রতিটি থানায় যদি আমিনুল ইসলামের মতো সৎ, সাহসী ও দক্ষ অফিসার ইনচার্জ থাকেন, তবে বাংলাদেশকে সন্ত্রাস, মাদক ও ডাকাতমুক্ত করা কোনো অসম্ভব লক্ষ্য নয়।