
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে রাজধানীর পূর্বাচলে যে রেকর্ডসংখ্যক মানুষের জনস্রোত দেখা গেছে, তা আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে থাকা সব ধরনের সংশয় দূর করে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্ট্যাটাসে শফিকুল আলম বলেন, সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট আর মাত্র সাত সপ্তাহ দূরে—৪৯ দিন। নির্বাচন নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হবে কি না, সে বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগতভাবে কখনোই সংশয় ছিল না। তবে বিভিন্ন সময়ে সমালোচনার কারণে তাঁকে নিজের আশাবাদ সংযত রাখতে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
প্রেস সচিব লেখেন, “গতকালের ঘটনাবলি সমালোচকদের মনে থাকা শেষ সন্দেহটুকুও দূর করে দিয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নির্ধারিত সময়েই হবে—এ প্রশ্ন এখন আর অবশিষ্ট নেই।”
তিনি আরও বলেন, মৌসুমের অন্যতম তীব্র শৈত্যপ্রবাহ উপেক্ষা করে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল নির্বাচনের জন্য দেশের সার্বিক প্রস্তুতির একটি সুস্পষ্ট প্রমাণ।
শফিকুল আলম তাঁর স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন, আগামী এক-দুইদিনের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর হাজার হাজার প্রার্থী নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় ফিরে যাবেন। একই সঙ্গে ছাপাখানাগুলো পূর্ণমাত্রায় চালু হবে এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে শুরু হবে নির্বাচনকেন্দ্রিক আলোচনা ও বিতর্ক, যার প্রতিধ্বনি পৌঁছে যাবে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত।
স্ট্যাটাসের শেষাংশে প্রেস সচিব বলেন, “বাংলাদেশ বর্তমানে গভীর ক্ষত বহন করছে। একটি ক্রমেই বিস্তৃত হয়ে চলা বিভাজন নিরাময়ের একমাত্র পথ হলো একটি সত্যিকার অর্থে বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন।”
নিজস্ব সংবাদ : 










