ঢাকা ০৫:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo “পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে পিতাকে দিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে বেকসুর খালাস ডাঃ এফ রহমান” Logo পরিচ্ছন্ন গাজীপুর গড়তে বর্জ্য অপসারনে রাজেন্দ্রপুরে এসটিএস উদ্বোধন করলেন প্রশাসক শওকত হোসেন Logo গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ Logo উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে প্রশাসক শওকত হোসেন, জয়দেবপুরে যানজট নিরসনে ৩১৭ কোটি টাকার ওভারপাস নির্মাণ Logo জাতীয় প্রেস ক্লাবের সহযোগী সদস্য পদ পেলেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া Logo সাহসিক অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার: পুরস্কৃত জিএমপির সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ও তার টিম Logo গাজীপুরে বাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo পোষা প্রাণীর চিকিৎসায় গাজীপুরে নতুন দিগন্ত, উদ্বোধন হলো ‘অ্যাপোলো পেট ক্লিনিক’ Logo গাজীপুরে রোটারী ক্লাব অব ভাওয়াল হেরিটেজের ৪র্থ অভিষেক ও রিপসা টিমের ক্লাব ভিজিট সম্পন্ন Logo গাছা থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে একাধিক সড়ক উদ্বোধন করেন গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার

প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের অন্যতম নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান (জিন্নাহ পাঠান) এর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গাজীপুর অঞ্চলের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের অন্যতম সংগঠক ও নেতৃত্বদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান, যিনি সর্বজন পরিচিত ছিলেন জিন্নাহ পাঠান নামে। তিনি ছিলেন একজন সাহসী সংগঠক, দক্ষ কমান্ডার এবং আজীবন সংগ্রামী দেশপ্রেমিক।

পরিচিতিঃ নাম : মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান (ডাকনাম : জিন্নাহ পাঠান) পিতা : মৃত ওয়াহেদ বক্স পাঠান
জন্মস্থান : পূর্ব জয়দেবপুর (বরুদা), গাজীপুর
রাজনৈতিক ও আন্দোলন সংগ্রামের ভূমিকা
ষাটের দশক থেকেই তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
১৯৬২ সালে কুখ্যাত হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়ে তিনি পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন।
১৯৬৮–৬৯ সালের ঐতিহাসিক ১১ দফা আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য হিসেবে তৎকালীন ঢাকা সদর উত্তর মহকুমা (বর্তমান গাজীপুর) এলাকায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
১৯৬৯–৭০ সালে ঢাকা সদর উত্তর মহকুমা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সশস্ত্র প্রস্তুতি ও প্রতিরোধঃ ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের শুরু থেকেই জিন্নাহ পাঠানের নেতৃত্বে গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে গোপনে অস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। জোড়পুকুর পাড় পাইলট স্কুলের মাঠ ও ভুরুলিয়ার গজারী গড় এলাকায় এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১৯ মার্চ ১৯৭১ তিনি ১১ সদস্যবিশিষ্ট “মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ”-এর সদস্য হিসেবে সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলনে সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকাঃ তিনি ভারতের আসামের লায়লাপুর ট্রেনিং সেন্টারে সাধারণ ও লিডারশিপ—মোট ৪২ দিনের সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ৩ নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন এবং সেক্টর হেডকোয়ার্টার থেকে সরাসরি কমান্ডশিপ প্রাপ্ত হয়ে স্থানীয় কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করে সিএন্ডবি রোডসহ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক সম্মুখযুদ্ধে তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
স্মরণীয় অভিযান
৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ সন্ধ্যায় জয়দেবপুর স্টেশনে অবস্থানরত পাক সেনাদের ওপর সফল আক্রমণ চালিয়ে ১৫ জনকে হত্যা ও প্রায় ২৫ জনকে গুরুতর আহত করে মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদে ফিরে আসেন।
নভেম্বরের শেষদিকে রাজেন্দ্রপুর ডিপো থেকে অস্ত্রবাহী মালগাড়ি ধ্বংস করে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ হস্তগত করা হয়, এতে প্রায় ৩০ জন পাক সেনা নিহত হয়।
১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ জিন্নাহ পাঠানের নেতৃত্বে গাজীপুরের মুক্তিযোদ্ধারা রাজবাড়ী ক্যান্টনমেন্টে দুঃসাহসিক আক্রমণ চালিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখেন। এ অভিযানে পাকবাহিনীর শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১৪–১৫ ডিসেম্বর জয়দেবপুর, রাজেন্দ্রপুর ও টাঙ্গাইল ক্যান্টনমেন্ট থেকে ঢাকা অভিমুখী পাকবাহিনীর বড় বহরে চৌরাস্তার ছয়দানা এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। মিত্রবাহিনীর মর্টার ও কামানের সহায়তায় পাকবাহিনীর ট্যাংকসহ বিপুল অস্ত্র ধ্বংস হয়।
তার অধীনে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেওয়া সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন কাজী আলীম উদ্দিন বুদ্দিন, শহীদুল্লাহ বাচ্চু, মেজবাহ উদ্দিন, ফজলে এলাহী, মহর আলী, জলিল, ভূলু, শ্রীরাম চন্দ্র দাস, আক্কাস আলী, বদিউজ্জামান খোকনসহ অনেকে—যাদের কেউ শহীদ হয়েছেন, কেউ আজও জীবন্ত ইতিহাস।

যুদ্ধোত্তর ভূমিকাঃ স্বাধীনতার পর তিনি জয়দেবপুর থানার প্রথম ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাজাকার গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন।

সাংস্কৃতিক অবদানঃ রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক হিসেবে ১৯৮৫ সালে এবং শ্রেষ্ঠ মঞ্চ পরিচালক হিসেবে ১৯৮৭ সালে পুরস্কার লাভ করেন।

মৃত্যুঃ এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ২৬ জুন ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে ইন্তেকাল করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান (জিন্নাহ পাঠান) ছিলেন গাজীপুরের মাটি ও মানুষের জন্য নিবেদিত এক সাহসী সন্তান—যাঁর অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

“পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে পিতাকে দিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে বেকসুর খালাস ডাঃ এফ রহমান”

error: Content is protected !!

প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের অন্যতম নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান (জিন্নাহ পাঠান) এর ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় ১২:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে গাজীপুর অঞ্চলের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধের অন্যতম সংগঠক ও নেতৃত্বদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান, যিনি সর্বজন পরিচিত ছিলেন জিন্নাহ পাঠান নামে। তিনি ছিলেন একজন সাহসী সংগঠক, দক্ষ কমান্ডার এবং আজীবন সংগ্রামী দেশপ্রেমিক।

পরিচিতিঃ নাম : মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান (ডাকনাম : জিন্নাহ পাঠান) পিতা : মৃত ওয়াহেদ বক্স পাঠান
জন্মস্থান : পূর্ব জয়দেবপুর (বরুদা), গাজীপুর
রাজনৈতিক ও আন্দোলন সংগ্রামের ভূমিকা
ষাটের দশক থেকেই তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।
১৯৬২ সালে কুখ্যাত হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশ নিয়ে তিনি পুলিশের নির্যাতনের শিকার হন।
১৯৬৮–৬৯ সালের ঐতিহাসিক ১১ দফা আন্দোলনে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সদস্য হিসেবে তৎকালীন ঢাকা সদর উত্তর মহকুমা (বর্তমান গাজীপুর) এলাকায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
১৯৬৯–৭০ সালে ঢাকা সদর উত্তর মহকুমা ছাত্রলীগের দফতর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

সশস্ত্র প্রস্তুতি ও প্রতিরোধঃ ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনের শুরু থেকেই জিন্নাহ পাঠানের নেতৃত্বে গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে গোপনে অস্ত্র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। জোড়পুকুর পাড় পাইলট স্কুলের মাঠ ও ভুরুলিয়ার গজারী গড় এলাকায় এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
১৯ মার্চ ১৯৭১ তিনি ১১ সদস্যবিশিষ্ট “মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ”-এর সদস্য হিসেবে সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলনে সরাসরি নেতৃত্ব দেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকাঃ তিনি ভারতের আসামের লায়লাপুর ট্রেনিং সেন্টারে সাধারণ ও লিডারশিপ—মোট ৪২ দিনের সামরিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ৩ নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন এবং সেক্টর হেডকোয়ার্টার থেকে সরাসরি কমান্ডশিপ প্রাপ্ত হয়ে স্থানীয় কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন।
চৌদ্দগ্রাম সীমান্ত দিয়ে দেশে প্রবেশ করে সিএন্ডবি রোডসহ গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক সম্মুখযুদ্ধে তিনি সরাসরি নেতৃত্ব দেন।
স্মরণীয় অভিযান
৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ সন্ধ্যায় জয়দেবপুর স্টেশনে অবস্থানরত পাক সেনাদের ওপর সফল আক্রমণ চালিয়ে ১৫ জনকে হত্যা ও প্রায় ২৫ জনকে গুরুতর আহত করে মুক্তিযোদ্ধারা নিরাপদে ফিরে আসেন।
নভেম্বরের শেষদিকে রাজেন্দ্রপুর ডিপো থেকে অস্ত্রবাহী মালগাড়ি ধ্বংস করে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ হস্তগত করা হয়, এতে প্রায় ৩০ জন পাক সেনা নিহত হয়।
১২ ডিসেম্বর ১৯৭১ জিন্নাহ পাঠানের নেতৃত্বে গাজীপুরের মুক্তিযোদ্ধারা রাজবাড়ী ক্যান্টনমেন্টে দুঃসাহসিক আক্রমণ চালিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা এলাকা নিয়ন্ত্রণে রাখেন। এ অভিযানে পাকবাহিনীর শতাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটে।
১৪–১৫ ডিসেম্বর জয়দেবপুর, রাজেন্দ্রপুর ও টাঙ্গাইল ক্যান্টনমেন্ট থেকে ঢাকা অভিমুখী পাকবাহিনীর বড় বহরে চৌরাস্তার ছয়দানা এলাকায় প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়। মিত্রবাহিনীর মর্টার ও কামানের সহায়তায় পাকবাহিনীর ট্যাংকসহ বিপুল অস্ত্র ধ্বংস হয়।
তার অধীনে পরিচালিত অভিযানে অংশ নেওয়া সাহসী মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন কাজী আলীম উদ্দিন বুদ্দিন, শহীদুল্লাহ বাচ্চু, মেজবাহ উদ্দিন, ফজলে এলাহী, মহর আলী, জলিল, ভূলু, শ্রীরাম চন্দ্র দাস, আক্কাস আলী, বদিউজ্জামান খোকনসহ অনেকে—যাদের কেউ শহীদ হয়েছেন, কেউ আজও জীবন্ত ইতিহাস।

যুদ্ধোত্তর ভূমিকাঃ স্বাধীনতার পর তিনি জয়দেবপুর থানার প্রথম ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাজাকার গ্রেফতারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এবং দেশ পুনর্গঠনে আত্মনিয়োগ করেন।

সাংস্কৃতিক অবদানঃ রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন গুণী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। গাজীপুর জেলার শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক হিসেবে ১৯৮৫ সালে এবং শ্রেষ্ঠ মঞ্চ পরিচালক হিসেবে ১৯৮৭ সালে পুরস্কার লাভ করেন।

মৃত্যুঃ এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংস্কৃতিক সংগঠক ২৬ জুন ২০০৬ খ্রিস্টাব্দে ইন্তেকাল করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শহীদুল ইসলাম পাঠান (জিন্নাহ পাঠান) ছিলেন গাজীপুরের মাটি ও মানুষের জন্য নিবেদিত এক সাহসী সন্তান—যাঁর অবদান ইতিহাসের পাতায় চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।