
পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটির মধ্যেও উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখে জনদুর্ভোগ নিরসনে মাঠে নেমেছে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা কাশিমপুর নামা বাজার থেকে ধনজয়খালী পর্যন্ত সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের তত্ত্বাবধানে ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সুদীপ বসাকের তদারকিতে শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ভরাট, রাস্তা সমানকরণ ও চলাচল উপযোগী করার কাজ করছেন। ঈদের ছুটির মধ্যেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকায় স্থানীয়দের মাঝে সন্তোষ বিরাজ করছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শওকত হোসেন সরকারের নির্দেশনায় চলমান এ সংস্কার কার্যক্রমকে এলাকাবাসী সময়োপযোগী ও জনবান্ধব উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ধসে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে পানি জমে কাদা সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।
স্থানীয় সূত্র জানায়, রোগী পরিবহন, পণ্য আনা-নেওয়া এবং জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতেও সড়কটির কারণে মারাত্মক ভোগান্তি তৈরি হচ্ছিল। বহুবার দাবি জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ ছিল। তবে সম্প্রতি বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু করে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আব্দুল কাদের বলেন, “অনেক দিন ধরে রাস্তার কারণে আমরা চরম কষ্টে ছিলাম। বৃষ্টি হলেই চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে যেত। এখন কাজ শুরু হওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।”
রোকসানা বেগম বলেন, “স্কুলের ছোট ছোট বাচ্চারা পড়ে গিয়ে আহত হতো। রোগী নিয়ে যাতায়াত করাও কঠিন ছিল। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় প্রশাসক মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই।”
ব্যবসায়ী মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, “রাস্তা ধসে যাওয়ার কারণে ব্যবসা-বাণিজ্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছিল। এখন সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হবে।”
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জনগণের দুর্ভোগ লাঘব এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতেই প্রশাসকের সরাসরি তদারকিতে এ সংস্কার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
এলাকাবাসী আশা করছেন, দ্রুত ও টেকসইভাবে কাজ সম্পন্ন হলে বহুদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং ধনজয়খালী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আবারও স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।
নিজস্ব সংবাদ : 










