
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তৎপরতা দেখাচ্ছেন প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার। দ্বিতীয় কর্মদিবসেই নগরজুড়ে পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শনে নেমেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নগর ভবন প্রাঙ্গণ থেকে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রশাসক। পরে টঙ্গীর বিভিন্ন এলাকায় বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম তদারকি এবং ভোগড়া বাইপাস এলাকায় ফগার মেশিনের মাধ্যমে লার্ভিসাইড ছিটিয়ে মশক নিধন কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি।
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন এবং মোগরখাল এলাকা ঘুরে দেখেন প্রশাসক। একই দিনে ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কড্ডা লাটি ভাঙ্গা ব্রিজ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আরেকটি অবকাঠামো যুক্ত হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ সোহেল হাসান, সচিব (উপ-সচিব) মো. আমিন আল পারভেজ, প্রধান বর্জ্য কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) সুদীপ বসাক, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. ইব্রাহিম খলিল, নির্বাহী প্রকৌশলী লেহাজ উদ্দিন, নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফ হোসেন, টঙ্গী অঞ্চল-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম এবং উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. আমজাদ হোসেনসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা।
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শওকত হোসেন সরকার বলেন, শিল্পনগরী হিসেবে গাজীপুরের গুরুত্ব জাতীয় অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি আনা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিক সেবাকে কার্যকর করা হবে অগ্রাধিকারভিত্তিতে।
তার ঘোষিত ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনায় যানজট নিরসন, জলাবদ্ধতা হ্রাস, খাল পুনঃখনন, সড়ক উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডে নিয়মিত মশক নিধন ও সচেতনতা কার্যক্রম জোরদারের কথাও উল্লেখ করেন প্রশাসক।
নগরবাসীর প্রত্যাশা, ঘোষিত পরিকল্পনার ধারাবাহিক বাস্তবায়ন হলে মহানগরীর নাগরিক সেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
নিজস্ব সংবাদ : 


















