
গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (সদর হাসপাতাল) ইমার্জেন্সি বিভাগে আগের তুলনায় উন্নত ও মানবিক সেবা পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। জরুরি মুহূর্তে দ্রুত চিকিৎসা, স্টাফদের আন্তরিক ব্যবহার এবং দালালমুক্ত পরিবেশ—সব মিলিয়ে এমার্জেন্সি বিভাগ এখন সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গা হয়ে উঠছে।
রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইমার্জেন্সিতে প্রবেশের পরপরই রোগীর অবস্থা বিবেচনায় দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে। চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীরা রোগীদের সঙ্গে ভদ্র, সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ করছেন—যা আগের তুলনায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
একজন রোগীর স্বজন বলেন, “আগে হাসপাতালে এলে নানা ভোগান্তি ছিল। এখন ইমার্জেন্সিতে এলেই দ্রুত সেবা পাই, কারও পেছনে ঘুরতে হয় না। ডাক্তার-নার্সদের ব্যবহার আগের চেয়ে অনেক ভালো।”
আরেক রোগী জানান, “এখন দালালদের উৎপাত চোখে পড়ে না। দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা পাওয়ায় রোগীর অবস্থারও দ্রুত উন্নতি হচ্ছে।”
সচেতন মহলের মতে, এই ইতিবাচক পরিবর্তনকে ভালো চোখে না দেখে একটি স্বার্থান্বেষী মহল নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কোথাও কোথাও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে গুজব ছড়িয়ে হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন তোলার অপচেষ্টার অভিযোগও রয়েছে। তবে রোগী ও স্বজনদের অভিজ্ঞতা বলছে ভিন্ন কথা—সেবার মানে বাস্তব উন্নয়নই আস্থা ফিরিয়ে এনেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ইমার্জেন্সি বিভাগে শৃঙ্খলা, তৎপরতা ও মানবিক আচরণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আস্থা বাড়ছে। দ্রুত চিকিৎসা, সঠিক দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর করে তুলছে।
সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, সব ধরনের অপপ্রচার উপেক্ষা করে ইমার্জেন্সি বিভাগের এই ইতিবাচক ও রোগীবান্ধব সেবা যেন ধারাবাহিকভাবে বজায় থাকে এবং এটি সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
নিজস্ব সংবাদ : 


















