ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ Logo সার সংকটের কারণ ও করণীয় নিয়ে গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির লিফলেট বিতরণ Logo গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৮৮ কেজি গাঁজাসহ নারী গ্রেপ্তার, স্বামী পলাতক Logo শহীদ তাজউদ্দীন হাসপাতালে ডাক্তার-আনসারের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি Logo গাজীপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত, সদর মেট্রো থানা কমিউনিটি পুলিশ দল চ্যাম্পিয়ন Logo খামারিদের টিকিয়ে রাখতে সহজ ঋণের ব্যবস্থা করা হবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo ভাওয়াল মির্জাপুর কলেজে তিনতলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর করেন অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম এমপি Logo গাজীপুরে দৈনিক বাংলার নবকণ্ঠের ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo গাজীপুর সিটিজুড়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান, নাগরিকদের সহযোগিতা চাইলেন প্রশাসক Logo গাজীপুরে সুটকেসে দ্বিখণ্ডিত নারীর লাশ- ৫ বছরের প্রেমের পরিণতি, প্রেমিকের হাতে খুন

ব্রি সদর দপ্তর পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২১৭ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্রির মহাপরিচালকের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এগ্রোডাইভারসিটি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় উপদেষ্টা বলেন, এগ্রোডাইভারসিটির ক্ষতি করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার কমাতে হবে। দেশীয় ধানের জাতগুলো আমাদের নিজস্ব সম্পদ—এগুলো সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদেরই। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশীয় কিছু ধানের জাত বিদেশে চলে যাচ্ছে; বিদেশে সংরক্ষণের চেয়ে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

কীটনাশকের ব্যবহার প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, ধান চাষে ব্যবহৃত কিছু কীটনাশক অতিমাত্রায় টক্সিক, যা পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর বিকল্প নেই। ক্ষতিকর কীটনাশকগুলো শনাক্ত করে পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত অনেক হাইব্রিড ধানের জাত রয়েছে—এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সক্ষম দেশীয় ধানের জাত শনাক্ত করে সেগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি বোরো ধান চাষে সেচের জন্য বরেন্দ্র এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে কি না—তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আহ্বান জানান।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানমসহ বিভাগীয় প্রধানরা। এছাড়া বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. মো. ইব্রাহিম, সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মুকুল এবং উপদেষ্টার সফরসঙ্গী নয়া কৃষি আন্দোলনের জাহাঙ্গীর আলম জনি ও উভিনিগের কনসালটেন্ট ড. আব্দুস সোবহানসহ প্রায় ১৫ জন প্রতিনিধি সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা ব্রির জিন ব্যাংক, ফার্ম মেশিনারি শেড ও ব্রি রাইস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ব্রির কার্যক্রম, সাফল্য ও অর্জন সম্পর্কে অবহিত হয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নাশকতা ও বিশৃঙ্খলার প্রতিবাদে গাজীপুর মহানগর যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

error: Content is protected !!

ব্রি সদর দপ্তর পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

আপডেট সময় ০৬:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্রির মহাপরিচালকের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এগ্রোডাইভারসিটি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় উপদেষ্টা বলেন, এগ্রোডাইভারসিটির ক্ষতি করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার কমাতে হবে। দেশীয় ধানের জাতগুলো আমাদের নিজস্ব সম্পদ—এগুলো সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদেরই। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশীয় কিছু ধানের জাত বিদেশে চলে যাচ্ছে; বিদেশে সংরক্ষণের চেয়ে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

কীটনাশকের ব্যবহার প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, ধান চাষে ব্যবহৃত কিছু কীটনাশক অতিমাত্রায় টক্সিক, যা পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর বিকল্প নেই। ক্ষতিকর কীটনাশকগুলো শনাক্ত করে পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত অনেক হাইব্রিড ধানের জাত রয়েছে—এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সক্ষম দেশীয় ধানের জাত শনাক্ত করে সেগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি বোরো ধান চাষে সেচের জন্য বরেন্দ্র এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে কি না—তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আহ্বান জানান।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানমসহ বিভাগীয় প্রধানরা। এছাড়া বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. মো. ইব্রাহিম, সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মুকুল এবং উপদেষ্টার সফরসঙ্গী নয়া কৃষি আন্দোলনের জাহাঙ্গীর আলম জনি ও উভিনিগের কনসালটেন্ট ড. আব্দুস সোবহানসহ প্রায় ১৫ জন প্রতিনিধি সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা ব্রির জিন ব্যাংক, ফার্ম মেশিনারি শেড ও ব্রি রাইস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ব্রির কার্যক্রম, সাফল্য ও অর্জন সম্পর্কে অবহিত হয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।