ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতি গাজীপুর ইউনিট কমিটি গঠন সভাপতি সোহেল, সাধারণ সম্পাদক সেলিম Logo গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রকৌশল বিভাগের প্রকল্পের উন্নয়ন সংক্রান্ত সমন্বয় সভা, প্রশাসকের কঠোর নির্দেশনা Logo গাজীপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার Logo গাজীপুরে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন Logo গাজীপুরে শিশুর সুরক্ষায় হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০ এপ্রিল, টিকার আওতায় ৩ লাখ ৮১ হাজার শিশু Logo শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত কালিয়াকৈরে খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন Logo গাজীপুরে ভাওয়াল রিসোর্টে টাস্কফোর্সের অভিযান মাদক, বিদেশি মদসহ গ্রেফতার ৬ Logo প্রশাসক শওকত হোসেনের নির্দেশনায় প্রকৌশলী সুদীপ বসাকের তত্ত্বাবধানে সড়কজুড়ে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম Logo ধানমন্ডির বিলাসবহুল ‘বায়তুল হুদা টাওয়ার’ দখল নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ Logo গাজীপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাত্রাপথে মহানগর বিএনপির সভাপতি শওকত সরকারের নেতৃত্বে জনতার উষ্ণ অভ্যর্থনা

ব্রি সদর দপ্তর পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্রির মহাপরিচালকের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এগ্রোডাইভারসিটি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় উপদেষ্টা বলেন, এগ্রোডাইভারসিটির ক্ষতি করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার কমাতে হবে। দেশীয় ধানের জাতগুলো আমাদের নিজস্ব সম্পদ—এগুলো সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদেরই। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশীয় কিছু ধানের জাত বিদেশে চলে যাচ্ছে; বিদেশে সংরক্ষণের চেয়ে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

কীটনাশকের ব্যবহার প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, ধান চাষে ব্যবহৃত কিছু কীটনাশক অতিমাত্রায় টক্সিক, যা পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর বিকল্প নেই। ক্ষতিকর কীটনাশকগুলো শনাক্ত করে পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত অনেক হাইব্রিড ধানের জাত রয়েছে—এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সক্ষম দেশীয় ধানের জাত শনাক্ত করে সেগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি বোরো ধান চাষে সেচের জন্য বরেন্দ্র এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে কি না—তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আহ্বান জানান।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানমসহ বিভাগীয় প্রধানরা। এছাড়া বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. মো. ইব্রাহিম, সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মুকুল এবং উপদেষ্টার সফরসঙ্গী নয়া কৃষি আন্দোলনের জাহাঙ্গীর আলম জনি ও উভিনিগের কনসালটেন্ট ড. আব্দুস সোবহানসহ প্রায় ১৫ জন প্রতিনিধি সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা ব্রির জিন ব্যাংক, ফার্ম মেশিনারি শেড ও ব্রি রাইস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ব্রির কার্যক্রম, সাফল্য ও অর্জন সম্পর্কে অবহিত হয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ খাদ্য পরিদর্শক সমিতি গাজীপুর ইউনিট কমিটি গঠন সভাপতি সোহেল, সাধারণ সম্পাদক সেলিম

ব্রি সদর দপ্তর পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার

আপডেট সময় ০৬:৫২:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ব্রির মহাপরিচালকের সম্মেলন কক্ষে বিভাগীয় প্রধানদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এগ্রোডাইভারসিটি রক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় উপদেষ্টা বলেন, এগ্রোডাইভারসিটির ক্ষতি করে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার কমাতে হবে। দেশীয় ধানের জাতগুলো আমাদের নিজস্ব সম্পদ—এগুলো সংরক্ষণের দায়িত্ব আমাদেরই। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, দেশীয় কিছু ধানের জাত বিদেশে চলে যাচ্ছে; বিদেশে সংরক্ষণের চেয়ে দেশের সংরক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

কীটনাশকের ব্যবহার প্রসঙ্গে ফরিদা আখতার বলেন, ধান চাষে ব্যবহৃত কিছু কীটনাশক অতিমাত্রায় টক্সিক, যা পরিবেশ ও জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। মাছের উৎপাদন বাড়াতে হলে কীটনাশকের ব্যবহার কমানোর বিকল্প নেই। ক্ষতিকর কীটনাশকগুলো শনাক্ত করে পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ব্যবহৃত অনেক হাইব্রিড ধানের জাত রয়েছে—এগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সক্ষম দেশীয় ধানের জাত শনাক্ত করে সেগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। পাশাপাশি বোরো ধান চাষে সেচের জন্য বরেন্দ্র এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে কি না—তা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনার আহ্বান জানান।

ব্রির মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ খালেকুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মুন্নুজান খানমসহ বিভাগীয় প্রধানরা। এছাড়া বিজ্ঞানী সমিতির সভাপতি ড. মো. ইব্রাহিম, সাধারণ সম্পাদক ড. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান মুকুল এবং উপদেষ্টার সফরসঙ্গী নয়া কৃষি আন্দোলনের জাহাঙ্গীর আলম জনি ও উভিনিগের কনসালটেন্ট ড. আব্দুস সোবহানসহ প্রায় ১৫ জন প্রতিনিধি সভায় অংশ নেন।

মতবিনিময় সভা শেষে উপদেষ্টা ব্রির জিন ব্যাংক, ফার্ম মেশিনারি শেড ও ব্রি রাইস মিউজিয়াম পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ব্রির কার্যক্রম, সাফল্য ও অর্জন সম্পর্কে অবহিত হয়ে ভূয়সী প্রশংসা করেন।