
গাজীপুর জেলা টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল (ভুমি) অফিসে ই-নামজারী জমাখারিজে অনলাইনে সকল সুযোগ সুবিধা পাচ্ছেন টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের সাধারণজনগণ। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা ও জেলা প্রশাসক, গাজীপুর ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার, প্রত্যক্ষ্য তত্বাবধানে উপজেলা ভূমি অফিস গাজীপুরের, ভূমি সংক্রান্ত সকল সেবা বিনা হয়রানিতে জনগণের দ্বােরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মোজাহেরুল হক।
গত ১ বছর আগে নামজারীর গড় নিষ্পতি করা হতো ৯৩ দিনে , বর্তমানে তা কমিয়ে ২৮ দিনের মধ্যে ই-নামজারী সম্পন্ন করা হয়। গত ১ বছরে মোট মিস কেসের সংখ্যা ৬০০-৭০০ থেকে নামিয়ে বর্তমানে ৩০০/২৫০ নেওয়া হয়েছে। মিসকেস, সীমানা নির্ধারণী, মামলা, করণিক ভুল সংশোধনের মামলা, দেওয়ানী আদালতের আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধনের মামলা সহ অন্যান্য বিবিধ মামলা সুচারুভাবে নিষ্পত্তির জন্য সপ্তাহ ২ দিন শুননী গ্রহণ করা হয়। মোট ৭০-৮০ জন ব্যক্তির শুনানী গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে গাজীপুর টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিসের আওতায় থাকা সাধারণ জনগণের ভূমি সংক্রান্ত সেবা সহজীকরণে এবং জনগণের আস্থা অর্জনে টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল (ভূমি) সহকারী কমিশনার অফিস, গাজীপুর টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল (ভুমি) এর প্রত্যেক সরকারী কর্মচারীরা দৃড় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
এবিষয় গাজীপুর জেল টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল ভূমি অফিসে ই-সেবা নামজারী সেবা নিতে আসা কাশিমপুরের বারেন্ডা আসিয়া খাতুন ই নামজারী আবেদন নং ১৩৯১৯০৬১ কেসনং ১১৩৮০ এবং সুরাবাড়ি ভুমি এলাকার রহিমা খাতুন এর সাথে মুঠো ফোনে কথা হয় তিনি জানান তার নিজের নামজারী,আবেদন নং ১৩৯১৯০২২ কেস ১১৩৭৮ /২৫-২৬ জমাখারিজের শুনানীর জন্য ভূমি মন্ত্রণালয় হতে ফোন পেয়ে শুনানীতে অংশগ্রহনের জন্য টঙ্গী রাজস্ব সার্কেল (ভুমি) যান এবং তিনি বলেন শুনানীতে অংশগ্রহনে অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আন্তরিকতার সাথে সহযোগিতা করেছেন। টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের টঙ্গী গাজীপুরা এলাকার ফারুক আলম সাথে কথা হয় তিনি জানান তার নিজ নামীয় নামজারী আবেদন নং ১৩৯৪৫৫৭৩ কেস নং ১১৬৫৪-২৫-২৬ নামজারী জমাখারিজ করতে কোন হয়রানি শিকার হয়েছেন কি না, জিজ্ঞেস করলে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন ই-নামজারী আবেদন করতে পারলেই আবেদন কোথায় কার কাছে পেন্ডিং রয়েছে তা জানা যায় এবং ভূমি মন্ত্রণালয় হতে ফোন কল এর মাধ্যমে শুনানীতে অংশগ্রনের জন্য জানিয়ে দেন। আমি শুনানীতে অংশগ্রহন করেছি ভূমি অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারী কর্তৃক সহযোগিতা পেয়েছি। অফিসে আগত লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, নামজারী অনুমোদনের পরেই আবেদনের উল্লেখিত মোবাইল নাম্বারে ম্যাসেজ চলে যায় এবং অনলাইন থেকে সরকারী ফি জমা দিয়ে ডিসিআর গ্রহণ করা যায়।ভূমি অফিসে আর্থিক কোন লেনদেন হয় না। ভূমি অফিস ঘুরে দেখা গেল ভূমি অফিসে কোন সেবা কি ভাবে গ্রহন করতে হয় তা রঙ্গিন লিফলেট ও ব্যানারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়েছে। সহকারী কমিশনার ভূমি কক্ষের প্রবেশ পথে দেখা যায় প্রত্যেক রবিবারে জনসাধারনের সাক্ষৎকার, সোম, মঙ্গল, বুধবারে মিস কেসের শুনানী ও নামজারী আপত্তি শুনানী, বৃস্পতিবারে সীমানা নির্ধারনের শুনানীর বোর্ডে প্রদর্শিত রয়েছে। মিস কেসের শুনানীতে অংশগ্রহনকারীগণ জানান বিগত
সময়ে শুনানী গ্রহন না হওয়াতে অনেক মিস কেস পেন্ডিং ছিলো। বর্তমান টঙ্গী রাজস্ব সার্কেলের (ভুমি) সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ মোজাহেরুল যোগদানের পরে দ্রুত রায় প্রদান করছেন। ভূমি অফিস মারফত জানা যায় প্রভাবশালী মহলের অবৈধ দখল হতে সরকারী খাস জমি উদ্ধার, পাবলিক ইজমেন্ট আছে এমন ভূমি হতে অবৈধ দখল অপসারন, অর্পিত সম্পত্তির একসনা ইজারা ফি আদায়, হাট বাজারের চান্দিনা ভিটি হতে একসনা ইজারা ফি আদায় করেন। জনসাধারনকে দ্রুততার সাথে সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে।
নিচে ই-সেবা নামজারীর আবেদনে কি ভাবে করবেন তা তুলে ধরা হলোঃ-
নিজের ই-নামজারী আবেদন নিজেই কিভাবে করব ?
নিচের ধাপগুলো অনুসরন করতে বলা হয়
land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ই-নামজারী নির্বাচন করুন, নামজারী আবেদন অপশনটি নির্বাচন করুন।
ঘোষনা অংশের নির্ভুল তথ্য দিন, জমির তফসিল ও গ্রহীতার তথ্য দিন, আবেদন গৃহীত হলে আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে land.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ই-নামজারী নির্বাচন করুন, আবেদন জমা প্রদানের জন্য ৭০ টাকা জমা দিন, বিকাশ পেমেন্ট করুন। পেমেন্ট অপশনে ইন্টারনেট ব্যাংকিং অপশন নির্বাচন করুন, দাতার তথ্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করুন, আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা অপশনটি নির্বাচন করুন। আবেদন নাম্বারসহ প্রয়োজনীয় চাহিত তথ্যদিন, যার কাছে বর্তমান আবেদনটি আছে তার নাম ও ফোন নাম্বার পাবেন, খসড়া খতিয়ানটি দেখতে পাবেন, খসড়া খতিয়ানে কোন ত্রুটি থাকলে তা সংশোধনের জন্য “খতিয়ানে করণিক ভূল সংশোধন” অপশনটি নির্বাচন করুন। ১১০০ টাকা ডিসিআর ফি পরিশোধ করুন। আপনার সুবিধাজনক পেমেন্ট গেটওয়ে নির্বাচন করুন যেমন (বিকাশ, রকেট, নগদ,উপায়) ইন্টারনেট ব্যাংকিং অপশনটি নির্বাচন করে অগ্রসর বাটনে ক্লিক করুন। কি সংশোধন করতে চান তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা লিখুন এবং দালিলিক প্রমাণ সংযুক্ত করুন খতিয়ানটি সঠিক থাকলে এবং আবেদন মঞ্জুর হওয়ার মেসেজ পেলে ডিসিআর ফি আপশনটি নির্বাচন করুন৷
অনলাইনে নিজের ভূমি উন্নয়ন কর নিজেই কিভাবে দিব ? নিচের ধাপ সমূহ অনুসরন করুন।
ধাপ ১: ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে রেজিস্টার। ধাপ ২: প্রোফাইল সেটিং। ধাপ ৩: খতিয়ান আপলোড করুন। ধাপ ৪: হোল্ডিং ও ভূমি উন্নয়ন করের তথ্য। ধাপ ৫: অনলাইন পেমেন্ট অপশন সিলেক্ট পেমেন্ট। ধাপ ৬: ই-পেমেন্ট করুন বিকাশে। ধাপ ৭: খাজনা রশিদ ডাউনলোড।
নিজস্ব সংবাদ : 


















