ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শ্রদ্ধা, সংবর্ধনা ও নানা আয়োজনে গাজীপুরে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস Logo “পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে পিতাকে দিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে বেকসুর খালাস ডাঃ এফ রহমান” Logo পরিচ্ছন্ন গাজীপুর গড়তে বর্জ্য অপসারনে রাজেন্দ্রপুরে এসটিএস উদ্বোধন করলেন প্রশাসক শওকত হোসেন Logo গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ Logo উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে প্রশাসক শওকত হোসেন, জয়দেবপুরে যানজট নিরসনে ৩১৭ কোটি টাকার ওভারপাস নির্মাণ Logo জাতীয় প্রেস ক্লাবের সহযোগী সদস্য পদ পেলেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া Logo সাহসিক অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার: পুরস্কৃত জিএমপির সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ও তার টিম Logo গাজীপুরে বাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo পোষা প্রাণীর চিকিৎসায় গাজীপুরে নতুন দিগন্ত, উদ্বোধন হলো ‘অ্যাপোলো পেট ক্লিনিক’ Logo গাজীপুরে রোটারী ক্লাব অব ভাওয়াল হেরিটেজের ৪র্থ অভিষেক ও রিপসা টিমের ক্লাব ভিজিট সম্পন্ন

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান নিরপেক্ষতার পরিপন্থী নয়: প্রেস উইং

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন গণভোটে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য অবস্থানকে কেন্দ্র করে নিরপেক্ষতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেওয়া এক স্পষ্টকরণে প্রেস উইং জানায়, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার আলোকে এই সমালোচনার কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং সংকটময় সময়ে নীরবতা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়; তা দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেবল দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনা বা নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য গঠিত হয়নি। দীর্ঘদিনের অপশাসনের ফলে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক সংকট, জনঅনাস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই এই সরকারের জন্ম। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতভাবে এ সরকারের মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা।

ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, গত আঠারো মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শের মাধ্যমে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হয়েছে, বর্তমান সংস্কার প্যাকেজ তারই ফল। সেক্ষেত্রে এই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার পরামর্শ অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্যকে ভুলভাবে বোঝার শামিল।

প্রেস উইংয়ের মতে, যে সরকার সংস্কারের দায়িত্ব নিয়ে গঠিত, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের মুহূর্তে সেই সংস্কার থেকে নিজেকে দূরে রাখবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চায়ও সরকারপ্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন নিয়ে নীরব থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং গণতন্ত্রে প্রত্যাশা করা হয়, নেতারা জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন।

গণভোটকে ‘টেকনোক্র্যাটিক প্রক্রিয়া’ নয় উল্লেখ করে প্রেস উইং জানায়, এটি জনগণের সরাসরি মতামত জানার একটি গণতান্ত্রিক মাধ্যম। সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যখন তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করেন, তখন ভোটারদের সিদ্ধান্ত আরও তথ্যভিত্তিক ও অর্থবহ হয়।

স্পষ্টকরণে গণতান্ত্রিক বৈধতার তিনটি মূল প্রশ্নও তুলে ধরা হয়—ভোটাররা অবস্থান প্রত্যাখ্যান করতে স্বাধীন কি না, বিরোধী পক্ষ প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে পারছে কি না এবং পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য কি না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই তিনটি শর্তই অক্ষুণ্ন রয়েছে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশের বাস্তব সংকটের প্রেক্ষাপটে সংস্কার ও গণভোটকে ব্যাখ্যা করে প্রেস উইং জানায়, এটি কোনো বিমূর্ত নীতিগত প্রশ্ন নয়; বরং দীর্ঘদিনের শাসনব্যর্থতার জবাব। প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন, তত্ত্বাবধানকারী সংস্থার রাজনীতিকরণ এবং দুর্বল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দেশকে যে সংকটে ফেলেছে, সংস্কার তারই প্রতিক্রিয়া।

আন্তর্জাতিক নজির তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট গণভোট, স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা গণভোট, তুরস্কের সাংবিধানিক গণভোটসহ বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দেওয়া হয়—যেখানে সরকারপ্রধানরা প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন এবং তা অগণতান্ত্রিক হিসেবে বিবেচিত হয়নি।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যের কথাও উল্লেখ করা হয়—গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নয়। প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর উপদেষ্টারা ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা বা দলীয় সুবিধা নেওয়ার লক্ষ্য রাখেন না; তাঁদের দায়িত্ব সময়সীমাবদ্ধ ও অন্তর্বর্তী।

জেলা পর্যায়ে সরকারি প্রচারণা নিয়ে ওঠা উদ্বেগ প্রসঙ্গে প্রেস উইং জানায়, এসব কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব জনগণের কাছে স্পষ্ট করা, যাতে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি সচেতন অংশগ্রহণে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। ক্রান্তিকালীন সময়ে এ ধরনের সম্পৃক্ততা স্বাভাবিক এবং তা বিরোধী মত দমন করে না।

শেষ পর্যন্ত প্রেস উইং জানায়, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান সংস্কারমূলক ম্যান্ডেট, প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের অঙ্গীকার এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের প্রকৃত নিশ্চয়তা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রদ্ধা, সংবর্ধনা ও নানা আয়োজনে গাজীপুরে পালিত হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস

error: Content is protected !!

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান নিরপেক্ষতার পরিপন্থী নয়: প্রেস উইং

আপডেট সময় ০১:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আসন্ন গণভোটে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বিষয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য অবস্থানকে কেন্দ্র করে নিরপেক্ষতা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তা ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দেওয়া এক স্পষ্টকরণে প্রেস উইং জানায়, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার আলোকে এই সমালোচনার কোনো যৌক্তিকতা নেই। বরং সংকটময় সময়ে নীরবতা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়; তা দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়।

প্রেস উইংয়ের ব্যাখ্যায় বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেবল দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনা বা নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্য গঠিত হয়নি। দীর্ঘদিনের অপশাসনের ফলে সৃষ্ট শাসনতান্ত্রিক সংকট, জনঅনাস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই এই সরকারের জন্ম। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতভাবে এ সরকারের মূল দায়িত্ব রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা।

ব্যাখ্যায় আরও বলা হয়, গত আঠারো মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শের মাধ্যমে যে সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হয়েছে, বর্তমান সংস্কার প্যাকেজ তারই ফল। সেক্ষেত্রে এই সংস্কারের পক্ষে অবস্থান না নেওয়ার পরামর্শ অন্তর্বর্তী সরকারের মূল উদ্দেশ্যকে ভুলভাবে বোঝার শামিল।

প্রেস উইংয়ের মতে, যে সরকার সংস্কারের দায়িত্ব নিয়ে গঠিত, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের মুহূর্তে সেই সংস্কার থেকে নিজেকে দূরে রাখবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চায়ও সরকারপ্রধানদের গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন নিয়ে নীরব থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। বরং গণতন্ত্রে প্রত্যাশা করা হয়, নেতারা জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজনীয় সংস্কারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরবেন এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের ওপর ছেড়ে দেবেন।

গণভোটকে ‘টেকনোক্র্যাটিক প্রক্রিয়া’ নয় উল্লেখ করে প্রেস উইং জানায়, এটি জনগণের সরাসরি মতামত জানার একটি গণতান্ত্রিক মাধ্যম। সরকারের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা যখন তাঁদের অবস্থান স্পষ্ট করেন, তখন ভোটারদের সিদ্ধান্ত আরও তথ্যভিত্তিক ও অর্থবহ হয়।

স্পষ্টকরণে গণতান্ত্রিক বৈধতার তিনটি মূল প্রশ্নও তুলে ধরা হয়—ভোটাররা অবস্থান প্রত্যাখ্যান করতে স্বাধীন কি না, বিরোধী পক্ষ প্রকাশ্যে প্রচারণা চালাতে পারছে কি না এবং পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ ও বিশ্বাসযোগ্য কি না। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই তিনটি শর্তই অক্ষুণ্ন রয়েছে বলে জানানো হয়।

বাংলাদেশের বাস্তব সংকটের প্রেক্ষাপটে সংস্কার ও গণভোটকে ব্যাখ্যা করে প্রেস উইং জানায়, এটি কোনো বিমূর্ত নীতিগত প্রশ্ন নয়; বরং দীর্ঘদিনের শাসনব্যর্থতার জবাব। প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন নির্বাচন, তত্ত্বাবধানকারী সংস্থার রাজনীতিকরণ এবং দুর্বল রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দেশকে যে সংকটে ফেলেছে, সংস্কার তারই প্রতিক্রিয়া।

আন্তর্জাতিক নজির তুলে ধরে যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিট গণভোট, স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা গণভোট, তুরস্কের সাংবিধানিক গণভোটসহ বিভিন্ন দেশের উদাহরণ দেওয়া হয়—যেখানে সরকারপ্রধানরা প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছেন এবং তা অগণতান্ত্রিক হিসেবে বিবেচিত হয়নি।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্যের কথাও উল্লেখ করা হয়—গণভোটের ফলাফলের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী স্বার্থ জড়িত নয়। প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর উপদেষ্টারা ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা বা দলীয় সুবিধা নেওয়ার লক্ষ্য রাখেন না; তাঁদের দায়িত্ব সময়সীমাবদ্ধ ও অন্তর্বর্তী।

জেলা পর্যায়ে সরকারি প্রচারণা নিয়ে ওঠা উদ্বেগ প্রসঙ্গে প্রেস উইং জানায়, এসব কার্যক্রমের উদ্দেশ্য সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব জনগণের কাছে স্পষ্ট করা, যাতে ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তি সচেতন অংশগ্রহণে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। ক্রান্তিকালীন সময়ে এ ধরনের সম্পৃক্ততা স্বাভাবিক এবং তা বিরোধী মত দমন করে না।

শেষ পর্যন্ত প্রেস উইং জানায়, ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান সংস্কারমূলক ম্যান্ডেট, প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের অঙ্গীকার এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জনগণের হাতেই থাকবে—এটাই গণতন্ত্রের প্রকৃত নিশ্চয়তা।