ঢাকা ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গাজীপুরে নিহত শ্রমিক তৌফিকের গায়েবানা জানাজায় এনসিপি নেতা আলী নাসের, পুলিশের ধাওয়ায় পণ্ড Logo শ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে শিল্প ধ্বংসের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না: জয়নাল আবেদীন রিজভী Logo কাশিমপুর ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া মেলে না খারিজ, ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা, মূলহোতা উপ-সহকারী নায়েব হাজেরা Logo গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার Logo মুন্সিপাড়ার নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রতিশ্রুতি দিলেন গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেন Logo মির্জাপুরে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত Logo মাদকের বিরুদ্ধে ২৫ কিলোমিটার ম্যারাথন, যুবসমাজকে খেলাধুলায় ফেরানোর আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম বাচ্চু Logo ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা, ভাওয়ালগড়ে  নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস বাছাই পর্ব উদ্বোধন করেন জয়নাল আবেদীন রিজভী Logo গাজীপুরে আরাফাত রহমান স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট, প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ করার ঘোষণা প্রশাসক শওকত হোসেন Logo গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন পরিচালক ডা. কামরুল ইসলাম

ঢাকার চাপ কমাতে উপশহর, সবার জন্য আবাসনের ঘোষণা— বিশ্ব বসতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৭:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও টেকসই আবাসন নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে ঢাকার আশপাশে আধুনিক ও সুপরিকল্পিত ‘সেকেন্ডারি টাউনশিপ’ বা উপশহর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশে সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় কাজটি সহজ নয়। তবে আবাসন সংকট দূর করে সর্বস্তরের মানুষের জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, শুধু আবাসন নিশ্চিত করাই নয়, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগরায়ণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। শহরাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে দেশের বড় শহরগুলোতে মানুষের জীবনযাত্রাকে নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমাতে ঢাকার আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত ‘সেকেন্ডারি টাউনশিপ’ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসব উপশহরে পরিকল্পিত আবাসন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাজধানীকেন্দ্রিক জনসংখ্যার চাপ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, উন্নত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শুধু রাজধানী বা বড় শহরকেন্দ্রিক উন্নয়ন নয়, গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিলে অপ্রয়োজনীয় শহরমুখী মানুষের চাপ কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সমানভাবে যুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিতভাবে নগরায়ণ ও নাগরিক সুবিধার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

গাজীপুরে নিহত শ্রমিক তৌফিকের গায়েবানা জানাজায় এনসিপি নেতা আলী নাসের, পুলিশের ধাওয়ায় পণ্ড

error: Content is protected !!

ঢাকার চাপ কমাতে উপশহর, সবার জন্য আবাসনের ঘোষণা— বিশ্ব বসতি দিবসে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:৫৬:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ, মানসম্মত ও টেকসই আবাসন নিশ্চিত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে রাজধানী ঢাকার ওপর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে ঢাকার আশপাশে আধুনিক ও সুপরিকল্পিত ‘সেকেন্ডারি টাউনশিপ’ বা উপশহর গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। এবারের বিশ্ব বসতি দিবসের প্রতিপাদ্য—‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত বিশ্বের সঙ্গে তুলনা করলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশে সব নাগরিকের জন্য নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতায় কাজটি সহজ নয়। তবে আবাসন সংকট দূর করে সর্বস্তরের মানুষের জন্য বাসস্থান নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

তিনি বলেন, শুধু আবাসন নিশ্চিত করাই নয়, আধুনিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই নগরায়ণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। শহরাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপ কমাতে দেশের বড় শহরগুলোতে মানুষের জীবনযাত্রাকে নিরাপদ, মানসম্মত ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকার ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমাতে ঢাকার আশপাশের এলাকায় পরিকল্পিত ‘সেকেন্ডারি টাউনশিপ’ গড়ে তোলার উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। এসব উপশহরে পরিকল্পিত আবাসন ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাজধানীকেন্দ্রিক জনসংখ্যার চাপ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা আরও দ্রুত, উন্নত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

শুধু রাজধানী বা বড় শহরকেন্দ্রিক উন্নয়ন নয়, গ্রামাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দিলে অপ্রয়োজনীয় শহরমুখী মানুষের চাপ কমানো সম্ভব হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দেশের প্রতিটি অঞ্চলকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সমানভাবে যুক্ত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিতভাবে নগরায়ণ ও নাগরিক সুবিধার বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা হবে।

অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরুর আগে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ওবায়দুর রহমানসহ সরকারের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।