ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল সন্দেহে আটক, ১৫ দিনের কারাদণ্ড Logo গাজীপুরে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে শ্রমিক সংগঠনের সাথে মতবিনিময়, কাজে ফেরার আহ্বান এমপি রনির Logo গাজীপুরে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’ উদ্বোধন, প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরিতে নতুন উদ্যোগ Logo গাজীপুরে নিহত শ্রমিক তৌফিকের গায়েবানা জানাজায় এনসিপি নেতা আলী নাসের, পুলিশের ধাওয়ায় পণ্ড Logo শ্রমিকদের আন্দোলনকে পুঁজি করে শিল্প ধ্বংসের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না: জয়নাল আবেদীন রিজভী Logo কাশিমপুর ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া মেলে না খারিজ, ভোগান্তিতে সেবাগ্রহীতারা, মূলহোতা উপ-সহকারী নায়েব হাজেরা Logo গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের আড়ালে নাশকতা ঠেকাতে মাঠে প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার Logo মুন্সিপাড়ার নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবে উন্নয়ন পরিকল্পনা, প্রতিশ্রুতি দিলেন গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেন Logo মির্জাপুরে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত Logo মাদকের বিরুদ্ধে ২৫ কিলোমিটার ম্যারাথন, যুবসমাজকে খেলাধুলায় ফেরানোর আহ্বান এমপি রফিকুল ইসলাম বাচ্চু

সততা ও কঠোরতায় অপরাধীদের ঘুম হারাম: গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে আস্থার প্রত্যাবর্তন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৩:৪২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩৪৪ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর মেট্রো থানায় ওসি হিসেবে মোঃ আমিনুল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করেছে থানার সামগ্রিক চিত্র। নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, অপরাধ দমন ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তবে তার এই সাফল্যকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক আইডি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই থানার সেবাপদ্ধতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছেন। অভিযোগ গ্রহণ থেকে শুরু করে তদন্ত ও নিষ্পত্তি—সবক্ষেত্রেই নির্ধারিত নিয়ম মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ফলে সেবা প্রত্যাশীরা নির্বিঘ্নে ও হয়রানিমুক্তভাবে সেবা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

থানার নিয়মিত কার্যক্রমে ‘বাই সিরিয়াল’ ভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করায় নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে আস্থার সংকট ছিল, তা দূর করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন,
“আমি যেখানে থাকি, যতদিন দায়িত্বে থাকি—কোনো মানুষ যেন আমার কারণে হয়রানির শিকার না হন, সেটাই আমার অঙ্গীকার। আমি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আইনগতভাবে এবং মানবিকভাবে সেবা দিতে প্রস্তুত। অপরাধী যেই হোক, কোনো ছাড় নেই।”

তিনি আরও বলেন, সদর মেট্রো থানায় যোগদানের পর থেকেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। ছিনতাইকারী, চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, জমি দখলকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কোনো ধরনের তদবির বা অনৈতিক প্রস্তাবে তিনি সাড়া দেননি বলেও জানান।

থানা প্রাঙ্গণে কথা হয় রহিমা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানান, পারিবারিক কলহের অভিযোগ নিয়ে থানায় এলে ওসি নিজে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শুনে শালীন ও কার্যকরভাবে মীমাংসা করে দেন। “এখন আমাদের সংসারে শান্তি ফিরে এসেছে,” বলেন তিনি।

একইভাবে মুজিবুর রহমান নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, পারিবারিক বিরোধের মামলায় হয়রানির আশঙ্কা নিয়ে থানায় গেলে ওসি আমিনুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কর্মকর্তাকে নিরপেক্ষ ও সঠিক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এতে তিনি ন্যায়বিচারের আশ্বাস পান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সদর মেট্রো থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর ওসি আমিনুল ইসলাম থানার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাতেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। সুশৃঙ্খল পরিবেশে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে থানার অন্যান্য কর্মকর্তারাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতা ও হামলার ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। ইতোমধ্যে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—পুলিশ হোক জনতার আস্থার ঠিকানা। সেই আস্থার প্রতীক হিসেবেই গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও সেবামুখী থানার দৃষ্টান্ত গড়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দালাল সন্দেহে আটক, ১৫ দিনের কারাদণ্ড

error: Content is protected !!

সততা ও কঠোরতায় অপরাধীদের ঘুম হারাম: গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে আস্থার প্রত্যাবর্তন

আপডেট সময় ০৩:৪২:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর মেট্রো থানায় ওসি হিসেবে মোঃ আমিনুল ইসলাম যোগদানের পর থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করেছে থানার সামগ্রিক চিত্র। নাগরিক সেবার মানোন্নয়ন, অপরাধ দমন ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। তবে তার এই সাফল্যকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে একটি কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফেক আইডি ব্যবহার করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই থানার সেবাপদ্ধতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনেছেন। অভিযোগ গ্রহণ থেকে শুরু করে তদন্ত ও নিষ্পত্তি—সবক্ষেত্রেই নির্ধারিত নিয়ম মেনে স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। ফলে সেবা প্রত্যাশীরা নির্বিঘ্নে ও হয়রানিমুক্তভাবে সেবা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

থানার নিয়মিত কার্যক্রমে ‘বাই সিরিয়াল’ ভিত্তিক সেবা নিশ্চিত করায় নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পুলিশ ও জনগণের মধ্যে যে আস্থার সংকট ছিল, তা দূর করতে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

একান্ত সাক্ষাৎকারে ওসি মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন,
“আমি যেখানে থাকি, যতদিন দায়িত্বে থাকি—কোনো মানুষ যেন আমার কারণে হয়রানির শিকার না হন, সেটাই আমার অঙ্গীকার। আমি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আইনগতভাবে এবং মানবিকভাবে সেবা দিতে প্রস্তুত। অপরাধী যেই হোক, কোনো ছাড় নেই।”

তিনি আরও বলেন, সদর মেট্রো থানায় যোগদানের পর থেকেই অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। ছিনতাইকারী, চোর, ডাকাত, চাঁদাবাজ, জমি দখলকারীসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। কোনো ধরনের তদবির বা অনৈতিক প্রস্তাবে তিনি সাড়া দেননি বলেও জানান।

থানা প্রাঙ্গণে কথা হয় রহিমা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানান, পারিবারিক কলহের অভিযোগ নিয়ে থানায় এলে ওসি নিজে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে শুনে শালীন ও কার্যকরভাবে মীমাংসা করে দেন। “এখন আমাদের সংসারে শান্তি ফিরে এসেছে,” বলেন তিনি।

একইভাবে মুজিবুর রহমান নামে আরেক ভুক্তভোগী জানান, পারিবারিক বিরোধের মামলায় হয়রানির আশঙ্কা নিয়ে থানায় গেলে ওসি আমিনুল ইসলাম তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত কর্মকর্তাকে নিরপেক্ষ ও সঠিক প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেন। এতে তিনি ন্যায়বিচারের আশ্বাস পান।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পর সদর মেট্রো থানায় দায়িত্ব নেওয়ার পর ওসি আমিনুল ইসলাম থানার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনাতেও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন। সুশৃঙ্খল পরিবেশে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়ে থানার অন্যান্য কর্মকর্তারাও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

এছাড়া আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতা ও হামলার ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের গ্রেপ্তারে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। ইতোমধ্যে একাধিক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বাকিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সচেতন মহলের মতে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নেওয়ায় একটি স্বার্থান্বেষী চক্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। তারা এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা—পুলিশ হোক জনতার আস্থার ঠিকানা। সেই আস্থার প্রতীক হিসেবেই গাজীপুর সদর মেট্রো থানায় ওসি মোঃ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও সেবামুখী থানার দৃষ্টান্ত গড়ে উঠছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।