
নাটোরের লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের সরকারি কাজী ইব্রাহীম হোসাইনকে মেরে চোখ বিনিষ্টকারী ৯ জন আসামির মধ্যে ৩জন আসামি পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
মামলা নং ৩০৩/২৩ লালপুর।ধারা-১৪৩/৩২৩/৩২৬/৩০৭/৩৮৫/৩৮৬/৫০৫(।।)১০৯ দঃবিঃ।পলাতক আসামিরা হলেন লালপুর উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামের আহম্মদ আলী টেক্কার ছেলে আজম আলী(৩২),মুজির আলীর ছেলে মানিক(৩১) ও ইদ্রিস আলীর ছেলে লালন(৩০)।
এ বিষয়ে মামলা বাদী কাজী ইব্রাহীম হোসাইন বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে সংবাদ কর্মীরকে দেখে দুঃখ বিজাড়িত কন্ঠে বলেন, আমাকে অন্যায়ভাবে,পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করে কৌশলে ডেকে নিয়ে মারপিট করেছে।ঐ মারপিটের আঘাতে আমার একটি চোখ বিনিষ্ট হয়েছে। আমি বিচার পেতে আদালতে মামলা করেছি। মামলার পরেই ঐ ৩ জন আসামি পলাতক হয়ে আছে। আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। কিন্তু আসামিরা স্থানীয় প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর হওয়ার কারণে পুলিশ তাদের আটক করতে পারেনি। মামলার ওয়ারেন্ট জারি হওয়ার পর আসামি আজম ও মানিক ২জন দেশের বাইরে/ বিদেশ চলে গেছে আর লালন দেশের মধ্যেই পলাতক আছে বলেও জানিয়েছেন মামলার বাদী কাজী ইব্রাহীম হোসাইন। পরিশেষে আদালতের মাধ্যমেই তার চোখ বিনিষ্ট কারী আসামিদের বিচার চান তিনি।এ বিষয়ে মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান (রিপন) বলেন পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত।দেশের যেখানেই থাক না কেন তাকে আদালতে আসতে হবে এবং বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। অন্য ৬ আসামি জামিনে আছেন বলেও জানিয়েছেন বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান রিপন।
নিজস্ব সংবাদ : 
















