ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo “পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে পিতাকে দিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে বেকসুর খালাস ডাঃ এফ রহমান” Logo পরিচ্ছন্ন গাজীপুর গড়তে বর্জ্য অপসারনে রাজেন্দ্রপুরে এসটিএস উদ্বোধন করলেন প্রশাসক শওকত হোসেন Logo গাজীপুর জেলা পরিষদের উদ্যোগে মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ Logo উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে প্রশাসক শওকত হোসেন, জয়দেবপুরে যানজট নিরসনে ৩১৭ কোটি টাকার ওভারপাস নির্মাণ Logo জাতীয় প্রেস ক্লাবের সহযোগী সদস্য পদ পেলেন গাজীপুর জেলা প্রশাসক নুরুল করিম ভূঁইয়া Logo সাহসিক অভিযানে অস্ত্র উদ্ধার: পুরস্কৃত জিএমপির সদর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ও তার টিম Logo গাজীপুরে বাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান Logo পোষা প্রাণীর চিকিৎসায় গাজীপুরে নতুন দিগন্ত, উদ্বোধন হলো ‘অ্যাপোলো পেট ক্লিনিক’ Logo গাজীপুরে রোটারী ক্লাব অব ভাওয়াল হেরিটেজের ৪র্থ অভিষেক ও রিপসা টিমের ক্লাব ভিজিট সম্পন্ন Logo গাছা থানার বিভিন্ন ওয়ার্ডে একাধিক সড়ক উদ্বোধন করেন গাসিক প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার

বাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সব সাংগঠনিক পদ থেকে ২০১৯ সালেই অব্যাহতি পাওয়ার পরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে ‘আওয়ামী লীগ’ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একের পর এক মামলায় আসামি করছে। শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে হাবিবুর রহমান খান বলেন, ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি যুবলীগ, বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে ২০১৯ সালের ২ মে তিনি স্বেচ্ছায় দল থেকে অব্যাহতি চান। পরে একই বছরের ২৯ জুলাই গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাঁকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

তিনি দাবি করেন, দল থেকে অব্যাহতির পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁর আর কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। এরপর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গত বছরের ১৭ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে থাকার পর ৫ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি চলতি বছরের ২৩ জুন তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান খানের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের পদকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলায় জড়াচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, “২০১৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও আমাকে আওয়ামী লীগের পরিচয়ে মামলার আসামি করা হচ্ছে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের পদে যাদের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে, তারাই পরোক্ষভাবে এসব মামলা করিয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

তিনি জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তির ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

“পৈত্রিক সম্পত্তির লোভে পিতাকে দিয়ে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা, আদালতে বেকসুর খালাস ডাঃ এফ রহমান”

error: Content is protected !!

বাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় ০২:০১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

গাজীপুরের বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ ও সব সাংগঠনিক পদ থেকে ২০১৯ সালেই অব্যাহতি পাওয়ার পরও একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাঁকে ‘আওয়ামী লীগ’ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত করে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একের পর এক মামলায় আসামি করছে। শনিবার বিকেলে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি এ অভিযোগ করেন।

লিখিত বক্তব্যে হাবিবুর রহমান খান বলেন, ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি যুবলীগ, বাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং গাজীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তবে দলীয় নেতাদের সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে ২০১৯ সালের ২ মে তিনি স্বেচ্ছায় দল থেকে অব্যাহতি চান। পরে একই বছরের ২৯ জুলাই গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সভায় তাঁকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

তিনি দাবি করেন, দল থেকে অব্যাহতির পর আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁর আর কোনো সাংগঠনিক বা রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল না। এরপর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। ওই মামলায় গত বছরের ১৭ অক্টোবর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং কারাগারে থাকার পর ৫ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান। সম্প্রতি চলতি বছরের ২৩ জুন তাঁর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

হাবিবুর রহমান খানের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের পদকে কেন্দ্র করে একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাঁকে হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলায় জড়াচ্ছে। তাঁর ভাষ্য, “২০১৯ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও আমাকে আওয়ামী লীগের পরিচয়ে মামলার আসামি করা হচ্ছে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চেয়ারম্যানের পদে যাদের রাজনৈতিক বা ব্যক্তিগত স্বার্থ রয়েছে, তারাই পরোক্ষভাবে এসব মামলা করিয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

তিনি জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তির ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।