
পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করা ও সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের শিকার গাজীপুরের সুনামধন্য হোমিও চিকিৎসক ডাঃ এফ রহমান একের পর এক মিথ্যা মামলা থেকে আদালতের মাধ্যমে সম্পূর্ণ নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেকসুর খালাস ও অব্যাহতি পেয়েছেন। আইনি লড়াইয়ে সব মিথ্যা ও কাল্পনিক অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হওয়ায় এলাকায় সত্যের জয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আদালত ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত করার লোভে ডাঃ এফ রহমানের আপন দুই ভাই—সাইদুল ইসলাম (সাইদুর রহমান) ও হাবিবুর রহমান—তাদের মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধ পিতা আঃ রহমানকে ফুসলিয়ে ও ভুল বুঝিয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি কাল্পনিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে মিথ্যা সিআর মামলা (মামলা নং- ৮৮৪/২৬) দায়ের করান। তবে মামলার সার্বিক তথ্য-প্রমাণ ও শুনাইনান্তে অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় ০৪/০৮/২০২৬ ইং তারিখে বিজ্ঞ আদালত ডাঃ এফ রহমানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন এবং বাদীপক্ষকে মামলাটি প্রত্যাহারের আদেশ দেন।
শুধু পৈতৃক সম্পত্তির জেরে আপন ভাইদের ষড়যন্ত্রই নয়, বিভিন্ন স্বার্থান্বেষী মহলের দায়ের করা অন্যান্য হয়রানিমূলক মামলাতেও নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন এই চিকিৎসক।
জামালপুর জেলার বড়ইকুরা গ্রামের বাসিন্দা হাফিজা খাতুন (পিতা: মৃত হযরত আলী) কর্তৃক দায়েরকৃত সিআর মামলায় (মামলা নং- ১২৮৭/২২) ডাঃ এফ রহমানের পিতা আঃ রহমান ও দুই ভাই ১/ সাইদুল ইসলাম (সাইদুর রহমান) ২। হাবিবুর রহমান তার বিরুদ্ধে গিয়ে সাক্ষ্য প্রদান করেন। কিন্তু সাক্ষ্য ও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত সত্য উদ্ঘাটন করেন এবং ডাঃ এফ রহমানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
এছাড়া, পারভীন আক্তার নামের এক নারী দুই সন্তানকে জড়িয়ে ডাঃ এফ রহমানের বিরুদ্ধে সিআর মামলা (মামলা নং- ১৮৮/২২) দায়ের করেছিলেন। অত্র মামলাটিতেও তিনি নিজের নির্দোষিতা প্রমাণ করতে সক্ষম হলে বিজ্ঞ আদালত তাকে বেকসুর অব্যাহতি প্রদান করেন।
ধারাবাহিকভাবে একের পর এক মিথ্যা মামলা থেকে আদালতের রায়ে খালাস পাওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে স্থানীয়রা জানান, একজন সফল ও সুনামধন্য চিকিৎসককে হয়রানি করতেই মূলত এসব সাজানো মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আদালতের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।