গাজীপুরের সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়নে অবস্থিত খাতিয়া বন্দান ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। প্রতিষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পেয়েছেন স্থানীয় সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী মোহাম্মদ মাছুম মিয়া।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আবেদন প্রক্রিয়া শেষে তাকে গভর্নিং বডির অবশিষ্ট মেয়াদের জন্য এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার মেয়াদ ২৪ মে ২০২৮ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
মোহাম্মদ মাছুম মিয়া গাজীপুর সদর উপজেলার বাড়িয়া ইউনিয়নের খাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং মোঃ মোস্তফা কামালের পুত্র। সামাজিক জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে তাঁর অবদান অসামান্য। গ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি দুস্থ-অসহায়দের সাহায্য, শিক্ষার প্রসার, স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। শিক্ষামূলক উদ্যোগে তাঁর ভূমিকা বিশেষভাবে প্রশংসনীয় — তিনি বিশ্বাস করেন, শিক্ষাই পারে একটি গ্রামকে আলোকিত করতে এবং সমাজকে এগিয়ে নিতে।
প্রকাশিত চিঠিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ভাইস চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) স্বাক্ষরিত এ আদেশ ইতোমধ্যে কার্যকর হয়েছে।
এদিকে নতুন সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা-উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবক ও সচেতন মহলের আশা, মাছুম মিয়ার নেতৃত্বে মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাপনা আরও স্বচ্ছ, আধুনিক ও গতিশীল হবে।
নবনিযুক্ত সভাপতি মোহাম্মদ মাছুম মিয়া এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন— “এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। খাতিয়া বন্দান ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসাকে একটি আধুনিক, মানসম্মত ও আদর্শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য।”
অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা হবে। আপনারা আপনাদের সন্তানদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষার দিকেও নজর দিন—আমরা সবসময় পাশে থাকব।”
এলাকাবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “এই মাদ্রাসা আমাদের সবার। তাই এলাকার সকল সচেতন মানুষকে আমি আহ্বান জানাই—শিক্ষা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় এগিয়ে আসুন। আপনাদের সহযোগিতা ছাড়া একটি প্রতিষ্ঠান কখনোই এগিয়ে যেতে পারে না।”
শিক্ষক ও স্টাফদের উদ্দেশ্যে বলেন, “সম্মানিত শিক্ষক ও স্টাফদের প্রতি আমার অনুরোধ—আপনারা নিষ্ঠা, সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। আমরা একসঙ্গে কাজ করে এই মাদ্রাসাকে একটি মডেল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবো, ইনশাআল্লাহ।”
আমি বিশ্বাস করি, সবাই মিলে কাজ করলে অল্প সময়ের মধ্যেই এই মাদ্রাসায় দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে। সকলকে আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।