গাজীপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে বিএনপির নেতা ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকীর নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপণে এই নিয়োগের ঘোষণা দেওয়া হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব খোন্দকার ফরহাদ আহমদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, গাজীপুরসহ দেশের মোট ১৪টি জেলা পরিষদে একযোগে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ‘জেলা পরিষদ (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪’-এর ধারা ৩ অনুযায়ী এবং জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এর ৮২ক-(১) ধারার আলোকে এ নিয়োগ কার্যকর করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্তরা পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে জেলা পরিষদ আইন, ২০০০-এর ৮২ক(৩) ধারা অনুযায়ী তারা চেয়ারম্যানের সব ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন—যা এই নিয়োগকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মাঠপর্যায়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে গাজীপুরের মতো শিল্পনগরীতে উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসেবার মান বাড়াতে নতুন প্রশাসকের ওপর বড় প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।
ব্যারিস্টার চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়। তিনি বিএনপির সাবেক প্রতিমন্ত্রী চৌধুরী তানভীর আহমদ সিদ্দিকীর পুত্র। তার বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায়।
স্থানীয়রা আশা করছেন, নতুন প্রশাসকের নেতৃত্বে গাজীপুর জেলা পরিষদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও গতি ফিরে আসবে।